Loading...

  • 24 Aug, 2026
সর্বশেষ

শাপলা চত্বর মামলায় শেখ হাসিনা, আজিজ ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শাপলা চত্বর মামলায় শেখ হাসিনা, আজিজ ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ মোট ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অভিযোগটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় বিচারাধীন।

এ মামলায় বর্তমানে নয়জন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন—সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৫৮ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ প্রসিকিউশনের হাতে রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৫ মে দিনভর হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ শেষে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থানরত সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালায়। পরবর্তীতে গত ৫ আগস্টের পর এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেয় হেফাজতে ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করায় বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ শুরু হলো। মামলার পরবর্তী শুনানি ও অন্যান্য কার্যক্রম আদালতের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।