পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বক্তব্য চলার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনুষ্ঠানস্থলে কিছু সময়ের জন্য বিঘ্ন ঘটে এবং উপস্থিত অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়া শুরু করার পরপরই বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। এতে অনুষ্ঠানস্থলের মাইক, শব্দব্যবস্থা ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের মাঝখানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখার জন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকা উচিত ছিল। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বা জেনারেটরের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন বিষয়টিকে অব্যবস্থাপনার ফল হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বক্তব্যের পরিবেশেও সাময়িক অস্বস্তি তৈরি হয়। উপস্থিত নেতাকর্মীদের কেউ কেউ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চান। অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে ঘটনার কারণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার তথ্য জানা যাবে।
রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের মতো মৌলিক বিষয় নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতি ও বিকল্প ব্যবস্থা রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। পিরোজপুরের এই ঘটনা রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।