Loading...

  • 26 Jul, 2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা, অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা, অনুমোদনের অপেক্ষায় প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে শুরু হওয়া এ সভায় প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য ৯টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে চারটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৭২৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১১ হাজার ১৮০ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ব্যয় করা হবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

সভায় কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ, ভৌত অবকাঠামো, আর্থসামাজিক অবকাঠামো, শিল্প এবং শক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষার প্রকল্পটি আলোচ্য তালিকায় রয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প, পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন (জিএসআইডিপি-২) প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবও একনেকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন, জ্বালানি খাতে নতুন মূল্যায়ন ও অনুসন্ধান কূপ খনন, সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা উন্নয়ন এবং দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্পও সভায় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এদিকে সভায় অনুমোদনের জন্য নয়, সদস্যদের অবহিত করার উদ্দেশ্যে আরও ১১টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস স্থাপন, বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিভিন্ন মহাসড়ক উন্নয়ন এবং বিদ্যুৎ, শিল্প, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের একাধিক প্রকল্প।

সভা শেষে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত ও ব্যয়ের চূড়ান্ত তথ্য জানানো হবে।