Loading...

  • 26 Jul, 2026

জুলাই গণহত্যার বিচার ধীরগতির অভিযোগ, দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের

জুলাই গণহত্যার বিচার ধীরগতির অভিযোগ, দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, বিচার কার্যক্রমে ধীরগতি জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে এবং জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হলেও বিচার কার্যক্রমে সেই গতি দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।”

জামায়াতের এই নেতা আরও দাবি করেন, জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য এর বিচার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি আরও মন্তব্য করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের ধারাবাহিকতার সূচনা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনের ঘটনার মধ্য দিয়ে হয়েছিল।

হামিদুর রহমান আযাদের মতে, বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও জুলাই গণহত্যার বিচার প্রশ্নে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অবস্থান একই। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

এদিন জুলাই গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে সাত দফা সুপারিশসংবলিত একটি স্মারকলিপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের কাছে জমা দেয় জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধিদল।

উল্লেখ্য, বিচার কার্যক্রমের গতি নিয়ে হামিদুর রহমান আযাদের মন্তব্য তার রাজনৈতিক দলের অবস্থান ও মতামত। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।