Loading...

  • 25 Jun, 2026

স্ত্রীর মৃত্যুর মামলায় অভিনেতা জাহের আলভীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

স্ত্রীর মৃত্যুর মামলায় অভিনেতা জাহের আলভীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ঢাকার মিরপুরে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা Mohammad Niyamat Ullah Bhuiyan ওরফে জাহের আলভীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) শুনানি শেষে ঢাকার Metropolitan Magistrate Court-এর বিচারক Albiruni Mir এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি আদালতকে জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জাহের আলভীর বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিবাহিত থাকা সত্ত্বেও অন্য নারীর সঙ্গে ছবি যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়া এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইকরাকে মানসিকভাবে চাপে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতে উল্লেখ করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ১০ দিনের পরিবর্তে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর ফলে তদন্ত কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিনেতা জাহের আলভীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৮ জুন জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১ মার্চ। সেদিন সকালে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইকরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ইকরার মামা Sheikh Tanvir Ahmed বাদী হয়ে জাহের আলভী ও তার মা Nasrin Sultana Shiuli-কে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান পারিবারিক কলহ, মানসিক চাপ এবং নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালতে তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং মামলার চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত শেষে নির্ধারিত হবে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মিরপুর জোনাল টিম। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী আইনি 

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy