Loading...

  • 21 Jun, 2026

ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুসের স্বীকারোক্তি: ‘বিয়ার নয়, ভাত-মাংসই আমার প্রিয়’

ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুসের স্বীকারোক্তি: ‘বিয়ার নয়, ভাত-মাংসই আমার প্রিয়’

মরক্কোর বিপক্ষে গোল করার পর এবার হাইতির বিপক্ষেও জালের দেখা পেয়েছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। শুধু গোল করেই নয়, সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করেও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করেন ভিনিসিয়ুস। মাঝমাঠ থেকে লুকাস পাকেতার দেওয়া নিখুঁত পাস কাজে লাগিয়ে হাইতির অফসাইড ফাঁদ ভেঙে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান তিনি। তার এই গোলে বিরতির আগেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নিয়েও কথা বলেন ভিনিসিয়ুস। ম্যাচসেরার পুরস্কারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, বিয়ার পান না করায় এমন পুরস্কার তার জন্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

হাস্যরসের সুরে ভিনিসিয়ুস বলেন, “আমি বিয়ার পান করি না, তাই বিষয়টি আমার জন্য একটু জটিল। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় আমরা সাধারণত ভাত, বিনস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং মাংস খাই। আমার কাছে এটিই সবচেয়ে প্রিয় খাবার।”

ম্যাচে জোড়া গোল করা মাথিয়াস কুনহার প্রশংসাও করেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের ধরন অনুযায়ী কোচ খেলোয়াড় ও ফরমেশন নির্বাচন করেন এবং কুনহা নিজের দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করেছেন।

ভিনিসিয়ুসের ভাষায়, “কুনহা অসাধারণ খেলেছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেও সে প্রায় একই ভূমিকায় খেলে। ফলস নাইন হিসেবে সে পাকেতা ও ব্রুনোর কাছাকাছি থেকে আক্রমণে বাড়তি কার্যকারিতা এনে দেয়। দুটি গোল করেছে, তার জন্য আমি খুবই খুশি। নিজের সেরা ফর্মে থাকার জন্য সে কঠোর পরিশ্রম করে।”

প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর দল যে মানসিক চাপের মধ্যে ছিল, সেটিও উল্লেখ করেন তিনি। ভিনিসিয়ুসের মতে, উদ্বোধনী ম্যাচের চাপ কাটিয়ে উঠতে পারায় হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে পেরেছে।

তিনি বলেন, “অভিষেক ম্যাচের চাপ আমাদের ওপর প্রভাব ফেলেছিল। আজ সবাই অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেছে। আমাদের খেলার ধরনও আগের চেয়ে উন্নত ছিল।”

নিজের পজিশন নিয়েও মজার মন্তব্য করেন ভিনিসিয়ুস। তিনি জানান, কোচ তাকে মাঝমাঠের কাছাকাছি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় খেলতে বলেছিলেন, যদিও সেটি তার খুব পছন্দের জায়গা নয়।

তবে হাসতে হাসতে তিনি বলেন, “আমি মাঝখানে খেলতে খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু মজার বিষয় হলো, যখনই মাঝখানে খেলি তখনই গোল পাই। তাই মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে আমাকে আরও বেশি সময় ওই জায়গায় খেলতে হতে পারে।”

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy