তবে জর্ডান সরকার ইরানের এই দাবির ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইরান থেকে ছোড়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে জানানো হয়, এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি কিংবা সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, ‘মার্কিন আগ্রাসন’ পুনরাবৃত্তি হলে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এ ধরনের বক্তব্য ও হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে, ইরান ও জর্ডানের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় হামলার প্রকৃত পরিস্থিতি এবং এর পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।