প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়। তিনি প্রশিক্ষণ এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে চলমান মহড়ার অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য নেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবধর্মী অনুশীলন, সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, সমরাস্ত্র পরিচালনা এবং বিভিন্ন কৌশলগত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি মাঠে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। পরে সেনাসদস্যদের সঙ্গে চা ও খাবারও গ্রহণ করেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি দক্ষ, আধুনিক ও শৃঙ্খলাবদ্ধ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তিনি সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, নিয়মশৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণের মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন এবং সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে বাহিনীর প্রস্তুতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে সরকারের উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষণের বিষয়টি আরও জোরদার হয়েছে।