Loading...

  • 21 Jun, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অনুমতি দিলেন মোজতবা খামেনি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অনুমতি দিলেন মোজতবা খামেনি


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য ইরানি প্রতিনিধিদের অনুমোদন দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় অংশ নেওয়ার অর্থ এই নয় যে ইরান তার নীতিগত অবস্থান থেকে সরে আসবে বা প্রতিপক্ষের সব দাবি মেনে নেবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক লিখিত বার্তায় এ বিষয়ে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। বার্তায় খামেনি বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে শুরুতে তার কিছু আপত্তি ছিল। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি আলোচনার অনুমতি দেন।

খামেনির ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে যেকোনো আলোচনা ও সমঝোতায় ইরানি জনগণের স্বার্থ এবং তথাকথিত ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অধিকার ও অবস্থান সুরক্ষিত রাখা হবে। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তিনি আলোচনার পথ উন্মুক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আলোচনায় অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন। তাদের উদ্দেশ্য ও সদিচ্ছার প্রশংসা করে খামেনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বা অযৌক্তিক কোনো ছাড় দাবি করে, তবে তা গ্রহণ করা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেছেন।

সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে খামেনি দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজনৈতিক বাস্তবতা ও চাপের মুখে এই চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন। তার মতে, ওয়াশিংটনের বর্তমান অবস্থান আলোচনার প্রয়োজনীয়তা থেকেই তৈরি হয়েছে।

এদিকে ইরান বিষয়ক বিশ্লেষক এবং Institute for National Security Studies-এর গবেষণা কর্মসূচির পরিচালক রাজ জিম্ট আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, খামেনির বক্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রতি একটি পরোক্ষ সমর্থন হিসেবে দেখা যেতে পারে।

তবে তার মতে, খামেনি একই সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। আলোচনার প্রক্রিয়া সফল হলে এর কৃতিত্ব তিনি নিতে পারবেন, আবার ব্যর্থ হলে দায়ভার বর্তমান সরকারের ওপর বর্তানোর সুযোগও থাকবে। এ কারণে তিনি আলোচনার অনুমোদন দিলেও নিজেকে কিছুটা দূরত্বে রাখার কৌশল নিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই অবস্থান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে ভবিষ্যৎ আলোচনা কতটা 

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy