Loading...

  • 21 Jun, 2026

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী


দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কর্মমুখী, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এমন তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। সেমিনারটির আয়োজন করে রোটারি বাংলাদেশ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে কারিগরি শিক্ষার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে তারা প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও ব্যবহারিক দক্ষতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শুধুমাত্র সনদনির্ভর শিক্ষা দিয়ে বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে তিনি পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়েও কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, সম্প্রতি পাবলিক পরীক্ষা আইন পাস হওয়ায় পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস বা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, নতুন আইনের আওতায় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হবে এবং অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর ফলে পরীক্ষাব্যবস্থায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাধ্যমিক স্তর থেকেই কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটলে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কর্মজীবনের জন্যও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। একই সঙ্গে দেশের শিল্প, প্রযুক্তি ও সেবা খাতে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
 

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy