আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এ সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এই অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ রামিসার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
রায় ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। বেলা ১১টার পর বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণ পাঠ শুরু করেন।