প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি মালিকানাধীন ওই জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা বৈধ অধিকার না থাকার পরও সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট জমিটি সরকারি খাস সম্পত্তি হিসেবে নথিভুক্ত। জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। এই জমিতে ভবন নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জামায়াত নেতার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নির্মাণ করলে সেটি বৈধভাবে বরাদ্দ, ইজারা বা অনুমোদিত ব্যবহারের আওতায় রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জমিটির মালিকানা, ব্যবহারাধিকার এবং ভবন নির্মাণের অনুমোদনসংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সরকারি সম্পত্তি হিসেবে খাস জমির যথাযথ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জমিটি যদি অবৈধভাবে দখল বা ব্যবহারের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জামায়াত নেতার বক্তব্য বা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে; তাই জমির কাগজপত্র, ভবন নির্মাণের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।
সরকারি খাস জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও প্রশাসনের নথিপত্র পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের ওপর বিষয়টির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে।